"পালং কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে কম্পিউটার  প্রশিক্ষণ শেষ করলে পাচ্ছেন সরকারি  সার্টিফিকেট"

খবরটি শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে
এম. আবদুল হাকিমঃ সরকারের কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত হলো মরিচ্যার “পালং কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার” ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত জেলার সর্ব বৃহত্তম কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মরিচ্যার পালং কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের চারদিকে  সুনাম অর্জন করেছে। আরো একধাপ এগি এখন অন্তর্ভুক্ত হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত। মরিচ্যা, কোর্ট বাজার তথা উখিয়া উপজেলার তথ্য প্রযুক্তি(আইসিটি) ও কারিগরি শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থী এবং বেকার শিক্ষীত সমাজের জন্য এক বিশাল সুখবর বয়ে আনলো মরিচ্যার এই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারি এবং পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াকিন বলেন- বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যোগে বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে চলতে বাংলাদেশের যুব সমাজকে তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞান আহরণ করে প্রযুক্তি নির্ভর কর্মপ্রক্রিয়া চালাতে হবে। তিনি আরো বলেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে উখিয়া এবং বৃহত্তর  কক্সবাজার  শিক্ষিত সমাজ চাকরিতে অগ্রাধিকারে পিছিয়ে পড়ার প্রধান কারণ কম্পিউটারে অনভিজ্ঞতা। বর্তমানে এনজিও গুলো তাদের সকল  প্রকার তথ্য ধারণ করে কম্পিউটারের মাধ্যমে। কাজেই কম্পিউটারে অনভিজ্ঞ হওয়ার ফলে আমরা পিছিয়ে আছি চাকরির বাজারে।
তিনি আরো বলেন- আমাদের গ্রাম পর্যায়ের বিদ্যালয় গুলোর অনুষ্ঠিত সকল মাধ্যমিক পরিক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৬০-৭০ ভাগ শিক্ষার্থী ফেল করে আইসিটি বিষয়ে। আইসিটি হলো সর্ম্পূর্ণ একটি কম্পিউটার সংশ্লিষ্ঠ সিলেবাস । আমাদের গ্রাম পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে অনভিজ্ঞ হওয়ার কারণে এই বিষয়ে ফেল করে বেশি । কাজেই অধ্যয়ণরত শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শেখার গুরুত্ত্ব অপরিসীম।
তিনি আরো বলেন- আমি কক্সবাজার সদর উপজেলা কমিউনিটি ই-ট্রেনিং সেন্টারে “সহকারি প্রশিক্ষক কম্পিউটার” হিসেবে দায়ীত্বরত অবস্থায় আমার উখিয়া উপজেলার শিক্ষিত সমাজকে জেলার সাথে তালমিলিয়ে চলার লক্ষ্যে কম্পিউটারের বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ করার গুরুত্ত্ব অনুভব করতাম।মহান আল্লাহর রহমতে মরিচ্যাতে আমি এই যোগউপযোগী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি
প্রতিষ্ঠিত করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। সুন্দর মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ৩০ টি কম্পিউটার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সম্বলিত এই প্রতিষ্ঠানে ১৫০ এর অধিক প্রশিক্ষণার্থী অধ্যায়ণরত আছেন। ইতিপূর্বে প্রায় ৫০০ এর অধিক শিক্ষার্থী কম্পিউটারের কোর্স সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় প্রশিক্ষণার্থী ভালো অবস্থানে চাকরি পেয়েছেন। কেউ কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসেবে কেউ কাউন্টার ম্যানেজার হিসেবে আবার কেউবা কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে।
তিনি সকলের নিকট উক্ত প্রতিষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল হওয়ার জন্য দোয়া কামনা করেন ।

Leave a Reply